কবিতা

আমি ভার্জিল আর সে

তারপর আমি ভার্জিলের কথা মত চুমু খেলাম  
একটি পাখি উড়ে গেল সে খবর নিয়ে
এখন আমার অস্তিত্ব, আস্ত এক ভেজা ছাদ
যে নিজের উত্তরণকে দেখছিল জলে ডুবে যেতে
তুলে আনি তাকে, মুখে মুখ রাখি –
ভয় হচ্ছিল বহু দিনের জমানো ভয়
একটি রাস্তা যে প্রথমেই নিচের দিকে যায়
তারপর অন্ধকারে বাঁক নেয়
হ্যাঁ অনেকটা এভাবেই সে বোঝাল আমাকে
পতনে স্বর্গ লাভ হয়
আর ফুল থেকে পাপড়ি খসে পড়ে

পুরুষ প্রজাপতি বছরের একটি বিশেষ সময়ে আমার ঘরে আসে
ছাদ ময় বসে থাকে বসন্ত-দাগের সাথে  
একটি কষ্টকর অধ্যায়ের প্রতীক হিশাবে
আমি তার দিকে চোখ রাখি সে আমার দিকে
মনে হয় দুজন বুল ফাইটার একে অন্যকে লাল কাপড় দেখায়
আর আয়নার পরাবাস্তবতা তার স্মৃতিতে, এসব কথা লিখে যায়
আচমকাই তার ঘুম ভাঙে এবং সে দ্যাখে
দুটি একই ছায়া তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে রয়েছে

এখন ঘসা কাঁচের ওদিকে কান্না বসে আছে
তুমি বসে আছো জিভে নুন নুন স্বাদ নিয়ে
কহিনুরে হাত কেটে গেছে বলে উল্লাস করেছিলে

একদিন এ পৃথিবীও ভার শূন্য হবে
কোনো মেয়ের দুঃখের কাছে

আমি জানি তবু সে বলেছে বলে
বিষ তিরে ঠোঁট রেখেছি
বসে আছি আর ভাবছি, পাখিটি কি আর ফিরবে

Comments